Home / BCS Tips / The way to overcome fear of English

The way to overcome fear of English

ইংরেজির ভয়,একটু করি জয়!
:
শুভেচ্ছান্তেঃ সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী
[ fb : Satyajit Chakraborty ] ========================================
সামনেই ৩৬ তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা। সবার ভালভাবেই প্রস্তুতি চলছে। তবে অনেকের ইংরেজি ভীতি রয়েই গেল। অনেকের কাছে এখন বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াল ইংরেজিতে পাস করা নিয়েই। অনেকে আছেন যারা অন্যসব সাবজেক্ট এ খুবই ভাল মার্কস আনতে পারবেন,শুধু ইংরেজিতে দেওয়াল টপকানোর মত কাছাকাছি মার্কস পেলেই হয়। আজকের লেখাটা শুধু তাদের জন্যই যারা ইংরেজিতে পাস করা নিয়ে সন্দিহান। যারা ইংরেজিতে ভাল তাদের এই লেখাটা পড়ে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয়না।
:
আচ্ছা ভাই, আপনি ইংরেজিতে কি খুবই দুর্বল? কতটুকু দুর্বল? কেমন প্রশ্ন হলে আপনি ইংরেজিতে পাস করবেন? ইংরেজি যতটা না কঠিন, আপনি তার চেয়ে বেশি ভয় পেয়ে বিষয়টাকে আরো কঠিন করে তুলেছেন। একটু সাহস, ভয় কাটাতে সাহায্য করে। আর ভয় কেটে গেলেই লেখাটা কেমন করে যেন কলমের মাথায় চলে আসে,পড়া ও বেশি হয়, প্রস্তুতি ও ভাল চলে। কিন্তু জোর করে তো আর কঠিন বিষয়কে সহজ ভেবে সান্তনা পাওয়া যায়না। যারা আমার লেখা নিয়মিত পড়েন তারা তো জানেন আমি যুক্তি ছাড়া কোন সান্তনা দিই না।
:
একটু আগে বললাম না, কেমন প্রশ্ন হলে আপনি পাস করবেন? আচ্ছা আপনাকে যদি বলি আপনার প্রশ্নটা মাধ্যমিক স্কুলের প্রশ্নের মত হবে। তাহলে কি ভয়টা কাটবে? এইবার হয়তো ঠোট বাঁকা হাসি দিয়ে বিরক্ত হয়ে আমার লেখা পড়াটাই বন্ধ করে দিবেন। বিসিএস এর প্রশ্ন কি আর মাধ্যমিক স্কুলের প্রশ্নের মত হবে? আচ্ছা যদি সেরকমটি হয় তাহলে পাস করবেন কি না? এইবার হয়তো রাজি আছেন!
:
আপনি মাধ্যমিকে পড়ার সময় ইংরেজিতে কিভাবে পরীক্ষা দিতেন মনে আছে? তখন আপনাকে কমিউনিকেটিভ সিস্টেমে পরীক্ষা দিতে হত। একটা প্যাসেজ থাকত তারপর সেখান থেকে কিছু প্রশ্ন করা হত। এধরনের প্যাসেজ সিস্টেমে প্রশ্নকে আমার কাছে নকলের পবিত্র সংস্করন মনে হয়। কারণ আপনাকে প্রশ্ন যা-ই করা হোক না কেন সব উত্তর কিন্তু উপরের কয়কেলাইনের প্যাসেজে দেয়া আছে। এইবার বিসিএস এর সিলেবাসটা হাতে নিন,আর ফিরে যান আপনার শৈশবের মাধ্যমিক স্কুলের ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নে। দেখতে একই রকম না? তখন প্যাসেজের পরীক্ষায় উত্তর দিয়ে পাস করে করে এক ক্লাসে ১ম ও ২য় পত্রে ৩ বার পরীক্ষা (১ম,২য় সাময়িক ও বার্ষিক) দিয়েছেন। তাহলে ক্লাস সিক্স থেকে টেন পর্যন্ত ৫ বছরে আপনি ৩০বার প্যাসেজের উপর পরীক্ষা দিয়ে অলরেডি পাস ও করে আসছেন।
:
বিধাতার কি অপূর্ব খেলা! ৩৫ তম বিসিএস এর যে নতুন সিলেবাস হল, তার পড়া আপনি মাধ্যমিকে থাকতেই অনুশীলন করে আসছেন। আর এখন অপেক্ষায় আছেন ৩৬ তম লিখিত পরীক্ষার। তখন প্যাসেজ অংশে লেখা থাকত ক্লাস স্ট্যান্ডার্ড। অর্থাৎ আপনার ক্লাসের উপযোগী প্যাসেজই দেয়া হবে। মনে করুন এটাও ক্লাস স্ট্যান্ডার্ড। তখন সিক্সে থাকলে যেধরনের প্যাসেজকে কঠিন লাগার পর ও পাস করে এসেছেন, এখনো সেরকমভাবে পাস করে আসবেন। অযথা মানসিক চাপে ভুগে প্রস্তুতির নদীতে হতাশার ভাটা আনবেন না।
:
এবার আসুন গ্রামারের অংশে। নিয়মিত অনুশীলন করতে থাকুন। বেশি বেশি অনুশীলন করলে এ অংশটি আপনার জন্য কঠিন হবে না। অনুবাদের ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ ইংরেজিতে অনুবাদে ৫০ মার্কস। এক্ষেত্রে আমার “ইংরেজিতে ভাল করার উপায় ” -সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তীঃ শীর্ষক শিরোনামে ৪পর্বের লেখা দিয়েছি। এখানে একটা পর্বে অনুবাদের সহজ কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছি। লাইন যত বড়ই হোক না কেন,আপনি ঐ পর্বে দেয়া ম্যাজিক রুল অনুযায়ী অনুবাদ করতে পারবেন সহজেই।
:
এবার আসি রচনার ক্ষেত্রে। যেহেতু মার্কস বেশি সেহেতু লিখতে ও হবে ঐমানের। তবে খেয়াল রাখবেন যেন কোনভাবেই বানান বা গ্রামাটিক্যাল ভুল না হয়। এটি খুবই দৃষ্টিকটু। প্রয়োজনে সহজ বাক্যে রচনা লিখুন (আগেই বলেছি এটা শুধু ইংরেজিতে যারা খুবই দুর্বল তাদের জন্যই)। কিন্তু ভুল যেন না হয়। এইবার আপনি যেহেতু রচনায় বেশিকিছু লিখতে পারবেন না,সুতরাং আপনার দুর্বলতা কাটানোর জন্য বেশি বেশি চার্ট,গ্রাফ, পরিসংখ্যান ইত্যাদি দিতে হবে। এবার এসব চার্ট,গ্রাফ, পরিসংখ্যান দিয়ে সহজ ভাষায় এগুলো ব্যাখ্যা করে দিতে পারলেই মোটামুটি একটা রচনা হয়ে যায়। আর ইংরেজি রচনায় এসব চার্ট,গ্রাফ, পরিসংখ্যান দেয়ার জন্য আলাদা পড়তে ও হবে না। আপনি বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে যা পড়বেন তাই আপনার ইংরেজি রচনার বিষয়বস্তু। সুতরাং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর জন্য আপনার যত গ্রাফ, চার্ট, পরিসংখ্যান থাকবে তা বেশি করে মুখস্ত করবেন যেন এক ঢিলে অনেক পাখি মারা যায়।
:
আগের একটা পর্বে সংবিধানের অনুচ্ছেদগুলো মুখস্থ রাখতে বলেছিলাম ইংরেজিতে। যেকোন বইতে ইংরেজি অনুবাদ সহ দেয়া আছে। যদি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো ইংরেজিতে শিখে নিতে পারেন তবে আপনার ইংরেজি রচনায় ইচ্ছেমত শুদ্ধভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আর আপনাকে গ্রামাটিক্যাল ভুলের ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হচ্ছে না, যেহেতু অনুচ্ছেদ মুখস্থ করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে পত্রিকায় প্রকাশিত “সংবিধান ব্যবহারের কৌশল ঃ সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ” নাম ও শিরোনামে লেখাটি এই পেজে দেয়া আছে। আমার টাইমলাইনেও শেয়ার করা আছে। চাইলে সেটির সাহায্য নিতে পারেন। তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ, গ্রাফ,চার্ট, পরিসংখ্যান ইত্যাদিতে আপনার রচনার পৃষ্ঠার বেশিরভাগ অংশ ভরাট করে দিতে পারলে আপনার খাতাটা তথ্যবহুল ও হয়ে গেল, সে সাথে বেশি বাক্য লিখে ভুলের সমস্যায় ও পড়তে হল না। এভাবে কৌশল অবলম্বন করতে পারলে আমার মনে হয় ইংরেজিতে ফেল করার বিষয়টা মাথা থেকে বাদ দেয়া যাবে।
:
এভাবে সহজ চিন্তা করতে পারলেই ইংরেজির ভয়, কিছুটা হলেও জয় করা যাবে। অন্যথায় মানসিক চাপে আপনার পড়াও হবেনা। আশাকরি খুব ভালো একটা লিখিত পরীক্ষা উপহার দিবেন নিজেদের এই কামনা রইল।
:
বিঃদ্রঃ এগুলো একান্তই নিজস্ব ভাবনা। বিশ্বাস করি আপনার চিন্তা চেতনা আমার চেয়ে উন্নত। এটি কোনো পরামর্শ নয়, সেটি প্রদানের যোগ্যতা ও আমার নেই। প্রত্যেকে উচ্চ শিক্ষিত। শুধু ভয় কাটানোর কিছু বিষয় উপস্থাপন করলাম মাত্র!
:
শুভ কামনা!
_________________________________________________________________________________________________
‪#‎Compiled_by‬:
Satyajit Chakraborty
Ex-president,
Social Law Awareness Association.

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *