Home / BCS Tips / A Special Note on Language Movement

A Special Note on Language Movement

ভাষা অান্দোলনের উপর একটি বিশেষ নোট:-
=================================

 

______Amitav Barua______________

♦১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ‘ তমুদ্দুন মজলিশ’ নামক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন ঢাবির অধ্যাপক অাবুল কাশেম।

♦ ভাষা অান্দোলনের মুখপত্র পত্রিকা – সাপ্তাহিক সৈনিক।

♦এটি ১৯৪৭, ১৫ সেপ্টেম্বর ‘ পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা না উর্দু ‘ নামক পুস্তিকা প্রকাশ করেন।

♦তমুদ্দিন মজলিশ ‘ভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করেন।

♦১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবরে ১ম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন নূরুল হক ভূঁইয়া।

♦১৯৪৮সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের গণপরিষদে লাহোরে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার ১ম দাবী উত্থাপন করেন।

♦১৯৪৮, ২রা মার্চ ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। এবং ১১ মার্চ ‘ বাংলা ভাষা দাবি দিবস’ পালনের ঘোষণা দেন।

♦১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ধর্মঘটের ডাক দেন – অলি অাহাদ ও শেখ মুজিবর রহমান।

♦১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ’ ১১ মার্চ ধর্মঘট পালন করে, এসময় মুজিব, শামসুল হক, অলি অাহাদসহ ৬৯ জনকে গ্রেফতার করা হলে ১৩-১৫ মার্চ ধর্মঘট ডাকা হয়। ফলে বাধ্য হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমুন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮, ১৫ই মার্চ সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে ৮ দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

♦১৯৪৮ সালের ২ মার্চে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন কামরুদ্দিন অাহমদ।

♦১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ অালী জিন্নাহ ঢাকায় এসে ২১শে মার্চে রেসকোর্স বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘোষণা করেন, ” উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা’। তিনি ২৪শে মার্চ ঢাবির সমাবর্তনেও অনুরূপ ঘোষণা দেন। ছাত্ররা না না বলে প্রতিবাদ জানান।

♦১৯৪৮ সালে গভর্নর জেনারেল অালী জিন্নাহর মৃত্যু হলে নতুন গভর্নর হন নবাব পরিবারের সন্তান খাজা নাজিমুদ্দিন।

♦১৯৪৯সালে ৯ মার্চে পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি গঠন করেন মাওলানা অাকরাম খাঁ।

♦১৯৫০সালে ১১মার্চে ‘ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন অাব্দুল মতিন।

 

 

 

♦১৯৫১ সালে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত অালী খানের মৃত্যু হলে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হন খাজা নাজিমুদ্দিন (১৮৯৪-১৯৬৪ মৃত্যু)।

♦১৯৫২, ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন জিন্নাহকে অনুকরণ করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন। ছাত্ররা প্রতিবাদে ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।

♦১৯৫২, ৩০ জানুয়ারি অাবদুল মতিনকে অাহবায়ক করে ‘ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নতুন ভাবে গঠিত হয়।
♦১৯৫২সালের ৩০শে জানু ‘ সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ।

♦১৯৫২, ২১ শে ফেব্রুআরি সাধারণ ধর্মঘট ও রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

♦১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ৮ই ফাল্গুন ১৩৫৯ বঙ্গাব্দে গণপরিষদ ঘেরাও ও স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করলে তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকারের পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী নূরল অামিন ঢাবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

♦২১শে ফেব্রুয়ারি সরকারের ১৪৪ ধারা জারি করা সত্ত্বেও অান্দোলনের নেতৃবৃন্দ সকাল ১১ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখ চত্বরে ঢাবির অামতলায় একটি সভা অনুষ্ঠিত শেষে মিছিল বের করলে পুলিশ গুলি চালায়।

♦রফিক, অাবুল বরকত, জব্বার, সালামসহ নিহত হলে ২২ শে ফেব্রুয়ারির শোক রেলি বের করা হয় এতে পুলিশ অাবার গুলি চালালে শফিউর শহীদ হয়।

♦২২ শে ফেব্রুয়ারি মেডিকেল কলেজের সামনে শহিদ মিনার নির্মিত হয়, ২৩ শে ফেব্রুয়ারি শফিউরের পিতা উদ্বোধন করেন কিন্তু ২৪ তারিখ পুলিশ তা ভেঙে দেয়।

♦২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ পুলিশ কর্তৃক শহীদ মিনার ভাঙার প্রতিক্রিয়ায় রচিত প্রথম কবিতার নাম অালাউদ্দিন অাল অাজাদ রচিত স্মৃতিস্তম্ভ।

♦সেখানেই ১৯৬৩ সালে স্থপতি হামিদুজ্জামানের নকশায় স্থায়ীভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মিত হয়।

♦২১শে ফেব্রুয়ারির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে কবি ‘সীমান্ত’ পত্রিকার সম্পাদক মাহবুব-উল-অালম চোধুরী ‘ কাদঁতে অাসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ শীর্ষক প্রথম কবিতা এবং তরুন কবি অালাউদ্দিন অাল অাজাদ ‘ স্মৃতির মিনার’/ স্মৃতিস্তম্ভ নামক কবিতাটি রচনা করেন।

♦চট্টগ্রামের বাহিরে অাবদুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন,” অামার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…………..”

 

 

♦একুশের প্রথম গান ‘ভুলব না, ভুলব না একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’- রচিয়তা ভাসা সৈনিক অা ন ম গাজীউল হক।

♦সঙ্গীত শিল্পী অাবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন, ” ওরা অামার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায় ‘ ও “তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি’

♦ প্রতিবাদে ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন প্রথম নাটক ‘ কবর’

♦ প্রতিবাদে জহির রায়হান রচনা করেন প্রথম উপন্যাস ‘ অারেক ফাল্গুন’।

♦ ১৯৫৩ সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে অাসছে।

♦১৯৫৪ সালের ৯মে পাকিস্তান গণপরিষদ রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেয়।

♦১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের সংবিধান রচিত হলে বাংলা ভাষাকে ২১৪নং অনুচ্ছেদে ২য় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়া হয় এবং সেই সাথে পূর্ববঙ্গকে পূর্বপাকিস্তান ঘোষণা করা হয়।

 
~~~~~পাকিস্তানের জাতীয় দিবস ২৩শে মার্চ।

♦কানাডার “মাদার ল্যাংগুয়েজ অব দ্যা ওয়ার্ল্ড” গ্রুপটির অন্যতম সদস্য রফিকুল ইসলাম ১৯৯৮ সালের ৯ জানুয়ারি কফি অানানের কাছে একটি চিঠি লিখেন।

♦এরই ভিত্তিতে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গ প্রতিষ্ঠান UNESCO এর ৩১তম অধিবেশনে ১৮৮ টি দেশের সম্মতিতে ২১ফেব্রুয়ারির শহীদ দিবসকে ‘ অান্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
~~~~২০০০ সালে প্রথম অান্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়।
~~~~২০০৬ সালে দেশের বাইরে প্রথম শহীদমিনার নির্মিত হয় হনসু দ্বীপে অবস্থিত জাপানের রাজধানী টোকিও তে।
~~~~২০০৯ সালের ২৮ফেব্রুয়ারি কানাডায় প্রথম কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টে অান্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
~~~~~এছাড়াও সিয়েরালিওন বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
Zakir’s BCS specials

One comment

  1. thanks,the examine of bcs preparation will be benefited.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *