Home / prothom alo / prothom alo editorial :2-06-2016

prothom alo editorial :2-06-2016

prothom alo editorial :2-06-2016

#‎অনুবাদ‬ চর্চা
আজকের প্রথম আলো সম্পাদকীয়
.

যখন দেশের ভেতরে জঙ্গিদের নানামুখী অপতৎপরতা চলছে, তখন সিঙ্গাপুরের আদালতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার চার প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণের দোষী সাব্যস্ত হওয়া আমাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

At a juncture when militants have reared their ugly heads in the country, it is disturbing to hear of four Bangladeshi young men being arrested in Singapore under the internal security act there.

গত মাসে সিঙ্গাপুরের টেররিজম (সাপ্রেসিং অব ফিন্যান্সিং) অ্যাক্টের অধীনে যে ছয় বাংলাদেশিকে আটক করা হয়, তাঁদের মধ্যে দুজন অভিযোগ অস্বীকার করলেও চারজন দোষ স্বীকার করেছেন।

Last month six Bangladeshis were detained in Singapore under the Terrorism (Suppressing and Financing) Act. Two of them denied the charges against them, but four of them admitted their guilt.
আদালত তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করলেও শাস্তি নির্ধারণ করেননি। ২১ জুন পরবর্তী শুনানির দিন তা নির্ধারিত হতে পারে।
The court has pronounced them guilty and is likely to announce their sentence after the hearing on 21 June.
আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, এঁরা বাংলাদেশে ফিরে ‘অবিশ্বাসীদের’ বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ তথা প্রচার অভিযান, খাবার, আগ্নেয়াস্ত্র ও ছুরি কেনার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছিলেন।
According to the court files, these young men were collecting funds for campaigning, food, arms and other weapons in order to launch an armed jihad against ‘disbelievers’ in Bangladesh.
দেশের ভেতরেও একশ্রেণির জঙ্গি প্রায় একই ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছে এবং মানুষ হত্যা করছে।
Militants within the country are carrying out such operations and killing people.

সিঙ্গাপুরে আমাদের লক্ষাধিক কর্মী আছেন, যাঁদের প্রায় সবাই সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন।
We have a hundred thousand or so persons in Singapore, working with diligence and integrity
অনেকে সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়ে দেশের মুখও উজ্জ্বল করছেন।
They are bringing name and fame to Bangladesh through their creative and cultural activities too.

তা সত্ত্বেও কিছু তরুণের বিপথগামী হওয়াকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।
The activities of these derailed young men must not be taken lightly.
আদালতে দোষী সাব্যস্ত তরুণদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনো জঙ্গিগোষ্ঠী কিংবা দেশে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্র আছে কি না, সেটা খুঁজে বের করাই সরকারের প্রধান কর্তব্য বলে মনে করি।

The government must carry out a detailed probe to determine whether these persons have links with international terrorist groups or militant groups within the country.
এ ব্যাপারে সিঙ্গাপুর সরকার, সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
The Singapore government and the Bangladesh embassy in Singapore can play an important role in this regard.

সিঙ্গাপুরসহ যেসব দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক আছে, সরকারের পক্ষ থেকে সেসব দেশকে এই বার্তাই দিতে হবে যে বাংলাদেশ প্রকৃতই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
The government must convey the message to the countries where Bangladeshis workers are employed, that Bangladesh has seriously adopted a hard stance against terrorism.

এর পাশাপাশি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীদের জঙ্গি তৎপরতার বিপদ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বোঝাতে হবে, যাতে নতুন করে কেউ বিপথগামী না হন।
Also, Bangladesh embassy personnel must raise awareness among the Bangladeshi workers about the dangers of terrorism, so that none of them are derailed.
তথ্য–প্রমাণ ছাড়াই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর দায় চাপানোর অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নেবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
Rather than launching into politically motivated mass accusations against the opposition, the government must come forward to take effective and sustainable steps against the militants.

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *