Home / prothom alo / prothom alo editorial :17-06-2016

prothom alo editorial :17-06-2016

#‎অনুবাদ_চর্চা‬ :প্রথম আলো সম্পাদকীয়
.
প্রশ্নবিদ্ধ বিশেষ অভিযান
Questionable special drive
.
দেশব্যাপী পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ অভিযানের প্রথম চার দিনে প্রায় ১২ হাজার লোকের গ্রেপ্তার হওয়ার খবরটি মোটেই স্বস্তি দেয় না।
In the first four days of the police’s special drive against militants, 12 thousand persons were arrested. This is not a very comforting piece of news.
প্রথমত, এই বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি যদি সত্যি সত্যি জঙ্গি বা সন্ত্রাসী হয়ে থাকে তাহলে তো উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।
After all, if these 12 thousand are genuinely militants or terrorists, then it certainly is a matter of alarm.
আমরা কি সন্ত্রাসের জনপদে বাস করছি?
Are we living in a land of terrorism?

এই উদ্বেগ আরও বেড়ে যায় যখন বিশেষ অভিযানের মধ্যেই নিষিদ্ধঘোষিত হিযবুত তাহ্রীরের তৎপরতা ও উসকানিমূলক প্রচারপত্র চোখে পড়ে।
The alarm only increases when, despite this special operation, Hizbut Tahrir activities and instigative pamphlets are out in the open.
তৃতীয় উদ্বেগের কারণ বাংলা ভাইয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ডের মতো দুর্ধর্ষ জঙ্গির জেলের ভেতর থেকে মানুষ হত্যার প্ররোচনার খবর।
Worse still, Bangla Bhai’s second-in-common has been sitting in prison and inciting people to carry out killings.
জেলখানার ভেতর থেকে একজন জঙ্গি বাইরে চিরকুট পাঠায় কীভাবে?
How can a militant within the jail send messages outside?
কাশিমপুর জেলখানা থেকে জঙ্গি পালানোর ঘটনায় পুলিশ সদস্যের সহায়তা ছিল বলে অভিযোগ আছে।
There are even allegations of police involvement in the escape of militants from the Kasimpur prison.

এবারের অভিযানে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী ধরার চেয়ে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
There are now allegations that members of the general public as well as leaders and activists of the opposition are being nabbed during the ongoing special drive, rather than militants and criminals.
যাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হচ্ছে, তাদের সবাইকে আদালতে সোপর্দও করা হচ্ছে না।

Not all those being detained are taken before court.
বগুড়ায় গ্রেপ্তার হওয়া ৩৭২ জনের মধ্যে ১৭১ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলেও অন্যদের হদিস মেলেনি।
Of the 372 arrested in Bogra, 171 were sent to court on various charges. The rest remain unaccounted for.
এর মাধ্যমে কি ঈদের আগে একশ্রেণির পুলিশ সদস্যের গ্রেপ্তার–বাণিজ্য বা উৎকোচের পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো না?
Isn’t this facilitating ways and means for certain members of the police to make money on the side before the Eid festival?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেপ্তারের এই সংখ্যাকে স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন। বলেছেন, দিনে প্রতি থানায় ২০ জন করে চার দিনে ১২ হাজার গ্রেপ্তার হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
The home minister sees the number of arrestees as quite normal.
He said, if 20 persons are arrested by each police station every day, then 12 thousand is nothing unusual.
সেটাই যদি হবে তাহলে বিশেষ অভিযানের তাৎপর্য বা ফলাফলটা কী?
So what is the consequence of the special drive?
থানা থেকে আদালতে নেওয়ার সময়ে আসামি হাওয়া হয়ে যাওয়ার রহস্যটাই বা কী?
And what is the mystery behind the arrested persons disappearing on the way from the police station to the court?
এসব প্রশ্নের উত্তর না মিললে বিশেষ অভিযান থেকে কোনো ফল পাওয়া যাবে না।
The special drive will yield no results unless these questions are answered.
বরং তা নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি ও গ্রেপ্তার–বাণিজ্যের উপলক্ষ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
This will just be seen as a harassment of innocent people, a chance to make money from the arrests.

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *