Home / prothom alo / prothom alo editorial :16-06-2016

prothom alo editorial :16-06-2016

prothom alo editorial :16-06-2016

অনুবাদ চর্চাঃ ১৬ তারিখের প্রথম আলো সম্পাদকীয়
.
কর্তৃপক্ষের আচরণে স্বচ্ছতা প্রয়োজন
Transparency in treatment of prisoners a must
.
কোনো হাজতি আসামির স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়টি একান্তভাবেই কারা চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের বিষয়।

It is solely the decision of the jail physician as to whether an inmate needs medical treatment or not.
গত জানুয়ারিতে ‘বুকে ব্যথা’ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ‘পিঠে ব্যথায়’ আক্রান্ত হওয়া মন্ত্রীর জামাতা তারেক সাঈদের দীর্ঘ অবস্থান এবং এখন হঠাৎ তাঁকে কারাগারে স্থানান্তর নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

Questions arose on this head when, in January, a certain minister’s son-in-law Tareq Sayeed developed chest pains and then back pains, and spent a prolonged period in hospital. Then recently he was suddenly transferred back to jail.
তিনি পালাতে পারেন—পুলিশের এমন আশঙ্কার মুখে তাঁকে কারাগারে সরিয়ে নিতে না নিতেই এখন তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে, যা সন্দেহজনক।
Apprehensions had arisen that he was going to make a break for it and escape.And now suspicions arise once again as preparations are on to transfer him to the prison cell in Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University.

.
সুতরাং সব আসামির প্রতি সরকারের উচিত হবে সব পরিস্থিতিতে আইনানুগ সমতার নীতি নিশ্চিত করে চলা।
So, The government must adhere to the policy of equal treatment of all prisoners within legal parameters
এটাও ঠিক যে কারা কর্তৃপক্ষের আওতাধীন চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র প্রদান নিয়ে সময় সময় যথেষ্ট সন্দেহ-সংশয় দেখা দিয়েছে।
There have often been doubts and questions about the prescriptions provided by the physicians of the prison administration.
কতিপয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক ব্যবস্থাপত্র’ প্রদানের অভিযোগও নতুন নয়।
These have even been dubbed as “political prescriptions”.
এখন তারেক সাঈদের ক্ষেত্রে খোদ পুলিশের তরফে ‘সুস্থ’ থাকা–বিষয়ক প্রতিবেদনই প্রকারান্তরে কারা চিকিৎসকদের মতামতকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
Now that the police themselves have declared Tareq Sayeed fit and fine, the prison physician’s diagnosis seems dubious indeed.
কারা উপমহাপরিদর্শক দাবি করেছেন, ‘অসুস্থ’ থাকার কারণেই তাঁকে এত দিন ঢাকা মেডিকেলে রাখা হয়েছিল।
The deputy inspector general of prisons said the accused had been kept in hospital so long as he was unwell.
কিন্তু প্রতীয়মান হচ্ছে পুলিশের রিপোর্টের ভিত্তিতে তারেকের স্থানান্তর ঘটেছে।
But apparently Tareq was transferred on the basis of a police report.

কারা উপমহাপরিদর্শক নতুন করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘অসুস্থ’ হলে আবার তাঁকে পাঠানো হবে।

The deputy inspector general now hints that he will be hospitalized once against if found to be ailing.
এমনটাও ধারণা করা হচ্ছে যে প্যারোলে তাঁকে বিদেশে ‘উন্নত চিকিৎসার’ জন্য প্রেরণের দরখাস্তও পেশ করা হতে পারে!
There reportedly may be an appeal submitted to send him abroad on parole for better treatment.
তাঁর চিকিৎসার প্রয়াজন নেই মর্মে পুলিশ যখন দাবি করেছে, তখন কারা কর্তৃপক্ষের উচিত হবে, তাঁর চিকিৎসা–সংক্রান্ত সব মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ করা।
When the police themselves have stated he does not require medical treatment, then the prison authorities should make his medical reports public.

জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতার যে সংকট দেখা দিয়েছে, তা থেকে বেরোতে চাইলে আমরা মনে করি এমন একটা স্বচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণের বিকল্প নেই।
This would be the only way to dispel suspicion from the public mind.
সামগ্রিকভাবেই হাজতি আসামিদের অসুস্থতা ও চিকিৎসাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
There is need for overall transparency concerning the medical condition and treatment of prisoners in general.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *