Home / prothom alo / prothom alo editorial :15-07-2016

prothom alo editorial :15-07-2016

অনুবাদ চর্চা : আজকের প্রথম আলো সম্পাদকীয়
.
অকার্যকর সন্ত্রাসবিরোধী আইন
Ineffective anti-terrorism act
দুর্ভাগ্যজনক ও অনুশোচনীয়
Unfortunate and compucntionable

নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৩০টি মামলার বিচার সাক্ষীর অভাবে শুরু হতে না পারার তথ্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও গভীরভাবে অনুশোচনীয়।

It is extremely unfortunate and a matter of deep regret that 130 cases filed under the anti-terrorism act against 130 leaders and activists of various banned militant groups are at a standstill simply sue to lack of witnesses.
এই খবর শুধু যে অভ্যন্তরীণভাবে আমাদেরই হতবাক করে তা-ই নয়, এটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘকে উদ্বিগ্ন এবং সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী সংকল্প সবার কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে পারে।
This news has not only shocked us, but has given rise to concern among the international community as well, particularly the United Nations. Questions are bound to be raised about the government’s commitment to combat terrorism.
বর্তমান সরকার ২০১৩ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধঘোষিত ব্যক্তি, সংগঠন বা সত্তার অর্থের উৎস বন্ধ এবং বেআইনি সম্পদ বাজেয়াপ্ত ইত্যাদি সংক্রান্ত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ ও ১৩৭৩ নম্বর সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের আলোকে ব্যবস্থা নিতেও বাংলাদেশি বিচারকদের ক্ষমতাবান করেছে।
In 2013 the present government empowered judges through an amendment to take action against internationally banned individuals and organisations, block their source of funding, and so on, in keeping with proposals of the security council.
অথচ দেশ যখন আন্তর্জাতিক যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা আছে—এমন সন্ত্রাসী তৎপরতার শিকার, তখন আমরা শুনি, সন্ত্রাসবিরোধী আইন করার সাত বছরে (ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথমে অধ্যাদেশ করেছিল) একটি মামলারও বিচার হয়নি।
And yet, at this juncture when the country faces the threat of international militancy, it is perturbing that not a single case has been tried in the past seven years under the anti-terrorism act.
এটা লক্ষণীয় যে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার আদালত পরিদর্শনের পরে অন্যান্য ফৌজদারি আইনে সাক্ষী হাজিরা বাড়লেও এখানে বাড়েনি।

After an inspection of the courts by Chief Justice AK Sinha, the number of witnesses increased in all other criminals cases expect in the case of anti-terrorism.
অবশ্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা দায়ের করার ফলেও সেসব মামলায় সাক্ষী-সংকট দেখা দেয়।

One of the reasons, though, is that many of these cases are politically motivated and this leads to a crisis in witnesses.
দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী, সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকলেও এখনো তা অকার্যকর।
According to Article 28 of this act, there is provision to form an anti-terrorism tribunal, but that remains ineffective

দায়রা জজ বা অতিরিক্ত জজ দ্বারা অস্থায়ীভাবে বিচারের যে বিধান রাখা হয়েছিল, তা–ই বহাল আছে।

The provision for a temporary trial by a sessions judge or an additional judge still remains in effect.

সুতরাং সরকারের উচিত হবে জরুরি ভিত্তিতে এই আইনের অধীনে সৃষ্ট বিচারিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া।
The government needs to take effective and immediate measures to address this standstill in the judicial system.

বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
Priority must be given to form a special tribunal.

পুলিশসহ অধিকাংশ সাক্ষী নানা সরকারি সংস্থায় কর্মরত।

Most of the witnesses, including the police, are in some form of government service.
তাই সাক্ষীদের যথাসময়ে হাজির করার দায় অবশ্যই রাষ্ট্রকে নিতে হবে।
So the state must ensure they turn up as witnesses in these cases.

আর এই আইনে অভিযোগপত্র দেওয়ার পরে মামলা আমলে নিতে সরকারি অনুমোদনের বিধান বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

The provision for government approval after the charge sheet is submitted under this act, goes against the independence of the judiciary.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *