Home / prothom alo / prothom alo editorial : 1-06-2016

prothom alo editorial : 1-06-2016

prothom alo editorial : 1-06-2016

অনুবাদ চর্চা: আজকের প্রথম আলো সম্পাদকীয়
.
নির্বাচনী ব্যবস্থার সর্বনাশ সাধন হলো যখন
Election system shattered
ছয় দফা ইউনিয়ন পরিষদের সর্বশেষ দফাটি বাকি রয়েছে। তবে আগের পাঁচ দফা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে গেছে

The last phase of the six-phase union parishad election remains. However, the five phases that are completed have the left the election system shattered.
সহিংসতা, কারচুপি ও নানা অনিয়মের কারণে এই নির্বাচন দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ইতিহাসে একটি নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত সংযোজন করল।
This election remains a shameful chapter in local government polls, marred with violence, rigging and an array of irregularities.
দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে এমন একটি নির্বাচনের জন্য এ পর্যন্ত ৯৯ জন মানুষের প্রাণ গেছে এবং কেউই এসবের দায় নিতে চাইছে না।
The unfortunate reality is that 99 persons were killed during this farcical election and no one is willing to take the blame.
.
একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের।
It is entirely the responsibility of the election commission to conduct a free, fair and credible election.
,
নির্বাচন কমিশনকে এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ক্ষমতাই দেওয়া আছে।
They have been bestowed with all powers to this end,
বর্তমান নির্বাচন কমিশন তাদের দেওয়া সংবিধান প্রদত্ত সেই ক্ষমতা ব্যবহারে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
The present election commission has miserably failed to utilize the power provided to it by the constitution.

,
ফলে গত পাঁচ দফায় ইউপি নির্বাচনের নামে যা হলো তার দায় প্রথমত ও প্রধানত নির্বাচন কমিশনের।
It is the election commission that must take the prime responsibility for the events of the five phases of the UP election that have taken place so far.
,
‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির’ ওপর দায় চাপিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
They cannot merely write it off as ‘political violence
,
, বাংলাদেশের অতীতের নির্বাচন কমিশনগুলোর সাফল্য-ব্যর্থতা ও যোগ্যতা-দক্ষতার তুলনামূলক বিচারে বর্তমান কমিশনের অবস্থানকে শোচনীয়তম বলেই মানতে হচ্ছে।

. In comparison to the country’s past election commissions, this one remains at the rock bottom.

এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন রাজনৈতিক দলের মনোনয়নের ভিত্তিতে হয়েছে সরকার ও সরকারি দলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে।
The government and the ruling party took the political decision for the UP chairman candidates to be nominated on a party basis

প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে সরকারি দল যেমন দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেনি তেমনি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদেরও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।

The ruling party failed to maintain order in nominating their candidates. They could not control the ‘rebel’ candidates within the party
ফলে কার্যত বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির অস্তিত্ববিহীন এই নির্বাচন হয়ে ওঠে সরকারি দল ও সরকারি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
As a result, bereft of any opposition political force, this election was virtually restricted to a contest between the ruling party and its own rebel candidates.

এত প্রাণহানি, সহিংসতা ও অনিয়মের নির্বাচনের দায় সরকার ও সরকারি দলও কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
The government and its political party cannot evade responsibility for the deaths, violence and irregularities of the election.

এটা মানতেই হবে যে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় ও সুদূরপ্রসারী ক্ষতি হয়ে গেল এবারের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে।
It must be realized that this UP election has dealt a massive blow to Bangladesh’s election system and it will have a long-lasting effect.

বিভিন্ন প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও যেখানে অতীতে স্থানীয় সরকার পর্যায়ের এই নির্বাচন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতো—এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কার্যত যেন তার ইতি ঘটেছে।
In the past, despite all sorts of detrimental political circumstances, local government elections had always been an occasion of festivity and enthusiasm.
নির্বাচনকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজটি এখন সহজ হবে না।

It will not be an easy task to restore this spirit of the election.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *