Home / BCS Tips / The Name of Guerrilla Organizations in Different Countries

The Name of Guerrilla Organizations in Different Countries

বিভিন্ন দেশের গেরিলা সংগঠনের নাম মনে রাখার টেকনিক

#ব্ল্যাক ডিসেম্বর – পাকিস্তানের একটি গেরিলা সংগঠন। চলুন একটু মজা করে শিখি — পাকিস্তানের ইতিহাসে ডিসেম্বরকে কখনো ভুলার কথা নয় কারণ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর যেই লজ্জা জনক পরাজয়ের স্বীকার তারা হয়েছে তাতে তাদের কাছে অাজীবন ডিসেম্বর সবসময় ব্ল্যাক হয়েই থাকবে! তাই ব্ল্যাক ডিসেম্বর নামের এমন সংগঠন শুধু পাকিস্তানেই মানায়!! তাই নয় কি?
,
#ব্ল্যাক প্যান্থার – নাকি যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের একটি সংগঠন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালি রাষ্ট্র, সেই হিসেবে পৃথিবীতে যত ব্ল্যাক প্যান্থার(বাঘ) অাছে তারমধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালি ব্ল্যাক প্যান্থার তো যুক্তরাষ্ট্রেই থাকার কথা! তাই না? এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়!
,
#ব্ল্যাক ক্যাট- নাকি ভারতের একটি গেরিলা কমাণ্ড বাহিনী। সত্যি বলতে কি, ভারত একদম সলিড একটা নাম বেছে নিয়েছে কারণ ক্রিকেটে ভারতের যে অাচরণ তাতে তারা ক্যাট বা বিড়ালের চেয়ে বেশি কিছু বলে মনে অামার হয় না! তাই এমন নাম ভারতকেই বেশ মানায়!
,
#M-19 নাকি কলম্বিয়ার একটি গেরিলা সংগঠন –একটু দেখনতো কলম্বিয়ার শেষে কিন্তু বিয়া শব্দটি অাছে, তাই ধরে নেন এখানে বিয়া করতে ১৯ বছর বয়স লাগে তাই কলম্বিয়ার গেরিলাদের নাম হয়েছে Marriage-19 বা M-19!!!!!!
,
#হিজবুল্লাহ- নাকি ইসরাইল বিরুদ্ধী লেবাননের একটি গেরিলা সংগঠন।
হিজবুল্লাহ নাম শুনলেই মনে হয় কত পবিত্র তাই হিজবুল্লাহ কখনো লেবার নন অর্থাৎ হিজবুল্লাহ লেবাননে।
,
#UNITA (ইউনিটা) – নাকি একটি এঙ্গোলার বিদ্রোহী গ্রুপ ; একটু লক্ষ্য করেন তো, ইউনিটা তো এঙ্গোলাতেই হবে, তাই না? কারণ দুইটা নামের শেষেই কিন্তু ‘অা’ প্রত্যয় যুক্ত অাছে।
ইউনিট +অা=ইউনিটা
এঙ্গোল + অা= এঙ্গোলা। সুতরাং ইউনিটা এঙ্গোলাতেই হবে।
,
#গুর্খা’ ও ‘মাওবাদী’ – নাকি নেপালের দুইটি গেরিলা সংগঠন।
ধরে নেন, গুর্খা একটি গালি! হয়ত ভাবছেন কিভাবে! কেন, এমনটা হতে পারে না…. গুর্খা অর্থাৎ গরু খা কিন্তু নেপালিরা তো গরু খায় না কারণ গরু, নেপালের জাতীয় পশু এবং তারা গরুকে ‘মা’ হিসেবে মানে অর্থাৎ নেপালিরা মাবাদী বা মাওবাদী!!!! ব্যস অার এভাবেই মনে রাখবেন গুর্খা ও মাওবাদী নেপালের গেরিলাদল।
,
#গর্ডস অার্মি- নাকি মিয়ানমারের একটি সংগঠন। গর্ডস শব্দটা কিছুটা গর্দভ ন্যায় শুনায় অার মিয়ানমারের অার্মিরা তো গর্দভ! তা না হলে তারা সামান্য একটা রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধান করতে না! এমন অার্মি অার কোন দেশে অাছে বলে মনে হয় না! তাই গর্দভ বা গর্ডস অার্মি, এমন নাম শুধু মিয়ানমারেই মানায়!
,
#রেড অার্মি – নাকি জাপানের একটি উগ্র সংগঠনের নাম। এটা হতেই পারে, তাই না!? কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপানের অার্মিরা কুরিয়ান মেয়েদের নিয়ে যা করেছে তাতে জাপানের অার্মিরা বিশ্বে অাজীবন ‘রেড অার্মি’ হয়েই থাকবে তাই এমন নাম শুধু জাপানের ক্ষেত্রেই মানায়!!!!
,
#অালকায়েদা – অাফগানিস্তানের একটি গেরিলা সংগঠন, এটা কারো ভুল হওয়ার কথা না কারণ ওসামা বিন লাদেনকে সৌদি অারব থেকে বের করে দেওয়ার পর সে কিন্তু অাফগানিস্তানেই অাশ্রয় নিয়েছিল অার গড়ে তুলেছিল টুইনটাওয়ারকে ভেঙে গ্রাউন্ড জিরো বানানো কুখ্যাত সংগঠন অালকায়েদা।
,
#শাইনিং পাথ’- নাকি পেরুর একটি গেরিলা সংগঠন। হবেই তো কারণ এই গেরিলা যে পেরুর সরু পথে থেকে শাইন করতে চায় তাই নাম হয়েছে শাইনিং পথ!
,
#টুপাক অামারু -পেরু, কি দারুণ! নামের সাথে একদম মিল! এটি Tupac Amaru Revolutionary United Front(MRTA) পেরুর একটি গেরিলা সংগঠন।
ধরে নেন গেরিলারা সবসময় পেরুতেই টু মারে বলে নাম হয়েছে টুপাক অামারু!!
,
#হামাস-ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
মাসের পর মাস যার নাম হামাস!!! অার মাসের পর মাস তো একমাত্র ফিলিস্তিনেই যুদ্ধ হয়। তাই ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠনের নাম হামাস হতেই পারে!
,
#অাল ফাতাহ – ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন। একটু লক্ষ্য করেন তো, ফাতাহ এর ফাত দিয়ে কিন্তু অারাফাত হয়!!! অর্থাৎ ইয়াসির অারাফাত যিনি ছিলেন ফিলিস্তিনের এক অবিসংবাদিত নেতা। সবচেয়ে বড় কথা এই অাল ফাতাহ দলটির প্রতিষ্ঠাতা কিন্তু ইয়াসির অারাফাত।

#Revolutionary United Front(RUF)- একটি সিয়েরালিওন এর গেরিলা সংগঠন ।
,
সংগঠনটির Acronym করলে হয় RUP বা রূপ – অার ‘রূপ’ নামের এমন সংগঠন তো শুধু সিয়েরালিওনেই থাকতে পারে ! তাই না? কারণ সিয়েরালিওনের নামের শেষে লিওন অাছে বলে কথা!!
.
#ফার্ক(FARC- Revolution Armed Forces of Colombia) – কলম্বিয়ার একটি মার্কসবাদী গেরিলা সংগঠন।
এভাবে মনে রাখতে পারেন- কলম্বিয়াতে বিয়া হয় পার্কে (ফার্কে)!!!
.
#ইনোসিস- সাইপ্রাসের জারা নামক একটি উগ্র জাতি যারা গ্রিসের সাথে যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে এখনো সংগ্রাম করছে।
.
একটু লক্ষ্য করুনতো, ইনোসিসি শব্দটি কিন্তু শুনতে ইনোসেন্স এর ন্যায় শুনায় অথচ তারা ইনোসেন্ট না বরং উগ্র, এটা শুনে তো অামরা সারপ্রাইজ হতেই পারে। তাই অামরা ইনোসিস শুনে সারপ্রাইজ হই বলেই মনে রাখবেন এটি সাইপ্রাসের সংগঠন!!!!!!
.
# JEM-Justice & Equality Movement যা সুদানের দারফুরের একটি গেরিলা সংগঠন। এভাবে মনে রাখতে পারেন, JEM বা জিম করলে তো মানুষ সুন্দর হয় অার সুন্দরের -সু -দিয়ে সুদান হয়! তাই না? সবচেয়ে বড় কথা সুদানের কালো কালো মানুষ গুলো সুন্দর হওয়ার জন্য জিম করতেই পারে!!!
.
#ভাইকিং -হলো স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের জলদস্যু। এই ভাইকিং নিয়ে কত ফিল্মই তো হয়েছে। এমনকি মার্কিনীরা মঙ্গল গ্রহে পাঠানো একটি উপগ্রহের নাম দিয়েছিলেন ভাইকিং। তাই বুঝা যায় পৃথিবীর সব উগ্র, গেরিলা ও জঙ্গি থেকে এই জলদস্যুরা সম্পূর্ণ ভিন্ন! তাই মনেও থাকার কথা একটি ভিন্ন ভাবে!!
.
#অাবু সায়াফ – ফিলিপাইনের মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলের একটি স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
একটু লক্ষ্য করেন তো, অাবু সায়াফের শেষে কিন্তু ‘ ফ’ অাছে অার ‘ফ’ তে ফিলিপাইন!!!
.
#MNLF (Moro National Liberation Front) – ফিলিপাইনের একটি গেরিলাদল। নামের শুরুতে ‘M’ অাছে অার এমতে হয় ম্যানিলা যা ফিলিপাইনের রাজধানী। এভাবেই মনে রাখুন।
.
#Party Karkerani Kurdistan (PKK) – এটি তুরস্কের কুর্দিস্তানের একটি শ্রমিক দল যারা তুরস্কে এখনো স্বাধীন কুর্দিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামরত।
এভাবে মনে রাখতো পারেন- কে তে কুর্দি অার কুর্দি তো তুরস্কে।
.
#LTTE – শ্রীলংকায় স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তামিল নেতা ভিলুপিল্লাই প্রভাকরণ ১৯৭৬ সালে Liberation Tigers of Tamil Eelam বা LTTE প্রতিষ্ঠা করে শ্রীলংকায় যে বিদ্রোহানল ছড়িয়ে দিয়েছিল, শ্রীলংকা তা ২০০৯ সালের ১৮মে LTTE প্রধান ভিলুপিল্লাইকে হত্যা করে বিদ্রোহের সেই দাবানল নিবিয়ে দিয়েছিল।এই কাহিনীতো সবারই জানা। তাই নতুন করে বলার কিছু নেই যে LTTE ছিল শ্রীলংকার একটি বিষপোড়া!!!
.
#IRA -Irish Republican Army উত্তর অায়ারল্যান্ডের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন। এভাবে মনে রাখুন অাইতে অায়ারল্যান্ড।
.
#এদিকে ভারত তার সাত বোন (Seven sisters) নিয়ে অাছে বেশ চিন্তায়! কারণ তারা সবাই স্বাধীনতাকামী, বিদ্রোহী, তাই তো –
#অাসাম গঠন করেছে #ULFA – United Liberation Front of Assam.
.
#নাগাল্যান্ড গঠন করেছে #NSCN
#ত্রিপুরা গঠন করেছে #NLFT- National Liberation Front of Tripura.
.
#JKLF – এটিও ভারতের একটি জম্বু কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সংগঠন। JkLF- Jammu Kasmir Liberation Front
.
#KLA – kossovao liberation Army, কসোবোর একটি স্বাধীনতাকামী দল।
.
#LRA-Lords Resistance Army – উগান্ডার একটি বিদ্রোহী দল।

.
#KNU – ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মায়ানমারের একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।
.
#FMLN-এল সালভাদরের একটি গেরিলা সংগঠন।
.
#ISIS – Islamic state in Iraq and Syria. সুতরাং এটি ইরাক ও সিরিয়ার একটি বিদ্রোহী গেরিলা সংগঠন।
.
#সাভাক- ইরানের উগ্র একটি সংগঠন।
.
#তালেবান – অাফগানিস্তানের একটি উগ্র সংগঠন।
.
#লস্কর-ই-তৈয়বা – পাকিস্তানের একটি গেরিলা সংগঠন। ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলা করে সাড়া জাগানো সংগঠন।
.
#নাসাকা- মায়ানমারের একটি সীমান্ত বাহিনী।

.
#পিএলও #ফাতাহ #ব্লাক সেপ্টেম্বর #ফোর্স_সেভেন্টিন #হামাস – এ সবকয়টিই ফিলিস্তিনের গেরিলা ও রাজনৈতিক সংগঠন।
.
সংক্ষেপে এসব সংগঠনের ইতিহাস জানতে নিচের লেখাটি পড়তে পারেন:–.
.
#PLO-একটি ফিলিস্তিনের গেরিলা ও রাজনৈতিক সংগঠন। এটি ১৯৬৪ সালের ২৮মে প্রতিষ্ঠিত হয়। পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ঐতিহাসিক ভবন Orient House এ ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পিএলওর সদরদপ্তর ছিল তবে বর্তমানে এর সদর দপ্তর রামাল্লা শহরে। ১৯৭৪ সালে পিএলও জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষণের মর্যাদা লাভ করে। ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ কনফারেন্সর শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত এটি উগ্র গেরিলা সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছিল।কিন্তু ১৯৯৩ সালে এক ঐতিহাসিক অসলো চুক্তির মাধ্যমে ইজরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি দান করে।
১৯৯৫ সালে পিএলও ও ইজরাইলের মধ্যে অারেকটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তির ফলে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে সীমিত অাকারে ফিলিস্তিনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল অথরিটি (পিএনএ) রামাল্লাকে প্রশাসনিক রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
.
তবে এই শান্তি প্রক্রিয়ার সব কৃতিত্ব কিন্তু ১৯২৯ সালে মিশরে জন্ম নেওয়া ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির অারাফাতের। যিনি ১৯৫৯ সালে ফিলিস্তিনে #ফাতাহ(Fatah) নামে একটি রাজনৈতিক অান্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন যা পরে ১৯৬৫ সালে একটি রাজনৈতিক দলে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠাকালীন এই দলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইয়াসির অারাফাত নিজে তবে বর্তমানে এই রাজনৈতিক দলের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ অাব্বাস। সবচেয়ে বড় কথা ফাতাহের একটি সম্মেলিত বৃহৎ পরিসরের রাজনৈতিক অান্দোলনের নাম হলো পিএলও। যেটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬৯ সালে ইয়াসির অারাফাত পিএলওর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর পিএলও জর্ডানে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে ফলে জর্ডানে সেনা অভ্যুদয় ঘটে এবং জর্ডানের অার্মি ও রাজা হোসেনের নেতৃত্বে পিএলওর সেনাদের সাথে ১৯৭০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হতে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয় যা ইতিহাসে ব্লাক সেপ্টেম্বর যুদ্ধ নামে খ্যাত । যুদ্ধে জর্ডান জয় লাভ করে।এই ব্লাক সেপ্টেম্বর যুদ্ধে জর্ডান পিএলওর অনেককে হত্যা করে এবং অনেক নেতাকে লেবাননে বিতারিত করার মাধ্যমে জর্ডান পুনরায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এই পরাজয় পিএলও মেনে নিতে পারেনি তাই এই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পিএলওর অন্যতন সহযোগী ফাতাহ দলের একটি বিশেষ বিদ্রোহী শাখা গঠন করা হয় যা ইতিহাসে #ব্লাক সেপ্টেম্বর গেরিলা দল নামে পরিচিত।
.
সেই সাথে #ফোর্স_সেভেন্টিন( Force 17) নামে ফাতাহ দলের অারেকটি বিশেষ শাখা গঠন করা হয় যেটি মূলত ইয়াসির অারাফাতের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ছিল বর্তমানে এটি ফিলিস্তিনের ‘Presidential Guard হিসেবে কাজ করে থাকে।
.
#১৯৮৭ সালে ফাতাহ দলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে শেখ অাহমেদ ইয়াসিন ও মাহমুদ জাহার মিলে ফিলিস্তিনের শহর গাজায় ‘#হামাস’ নামে অারেকটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করে। অারাফাতের মৃত্যুর পর ফাতাহ এর সাথে হামাসের রাজনৈতিক মতাদর্শ বিরোধী চরমে উঠে এবং বর্তমানে হামাস একটি উগ্র রাজনৈতিক গেরিলা সংগঠন হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।
.
তবে যাই হোক এটা দিনের অালোর মত সত্যি যে ফিলিস্তিনের অারেক নাম হলো ইয়াসির অারাফাত যিনি ফিলিস্তিনের জনগণের মাঝে চেতনার এক মহা ‘ইন্তিফাদা’ বা জাগরণ ঘটিয়েছিলেন।চেষ্টা করেছিলেন শান্তি প্রতিষ্ঠার। তাঁর শান্তি প্রক্রিয়ার এই অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবল পুরস্কারে ভূষিত হন।
তবে ইজরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে ২০০৪ সালে প্যারিসে তাঁর জীবনাবসান ঘটলে অারাফাতের প্রাণকেন্দ্র ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক রাজধানী রামাল্লায় তাঁকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়।

 download PDF file click here

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *