Home / The Daily Star / The Daily Star editorial : 17-05-2016

The Daily Star editorial : 17-05-2016

বিসিএস রিটেন অনুবাদ ৬৫!রচনায় ৫০ যা নির্ভর করবে অনুবাদ করা/ free hand writing দক্ষতার উপর, বাংলাদেশ ব্যাংক এডিতে ৫০!পিএসসির নন ক্যাডার জব ও সরকারী ব্যাংকে ১০-২০। নিয়মিত চর্চার বিকল্প নাই
আজকের The Daily Star সম্পাদকীয়
Public humiliation of a teacher
একজন শিক্ষকের প্রতি গণ অবমাননা

A most despicable act
সবচেয়ে জঘণ্য একটি কাজ
,
We take an extremely grim view of a headmaster being punished on alleged claims of making derogatory comments about religion.
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একজন প্রধান শিক্ষককে নিকৃষ্টভাবে শাস্তি দেওয়ার ঘৃণ্য চিত্র আমরা দেখতে পেয়েছি।
It happened in Narayanganj.
ঘটনাটি নারায়ণ গঞ্জে ঘটেছিল ।

The teacher, who happens to be of Hindu faith, was made to do sit ups holding his ears in the presence of the local MP.
হিন্দু ধর্মাবলম্বী একজন শিক্ষককে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে কান ধরে উঠা -বসা করতে হয়েছিল ।
Are we living in a modern state?
আমরা কি আধুনিক সমাজে বাস করি ?

 

 

How will the teachers ever function again with dignity?
কিভাবে মানুষ গড়ার কারিগর আমাদের শিক্ষকরা মর্যাদার সাথে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে?
What message does it send to the outside world about our society?

এটির মাধ্যমে আমাদের সমাজ সম্পর্কে বহির বিশ্বে কী বার্তা পৌঁছাল?
The shocking incident unveils two disturbing facts.
এই দু:খজনক ঘটনাটি আমাদের কাছে দুটি ঘৃণ্য বিষয়কে পরিষ্কারভাবে উত্থাপিত করেছে ।

First, he was, reportedly, a victim of personal vendetta by some people in the school management.
এক, বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় শিক্ষকটি স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির কিছু লোকের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন ।

Second, the whole incident took place in front of the local lawmaker who, instead of standing up to the perpetrators, apparently acquiesced to the mob trial.
দুই, পুরো ঘটনাটি একজন স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সামনে ঘটেছে যিনি আবার দুষ্কৃতকারীদের পক্ষ নিয়েছিলেন ফলে আপাতভাবে তিনি গণবিচারের প্রতি মৌনসম্মতি জানিয়েছিলেন ।

 

 

The punishment was ostensibly to save the teacher from public wrath.
মূলত এই শাস্তিটির উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষকটিকে জনগণের ক্রোধ থেকে রক্ষা করা ।

What a ludicrous argument!
কী অবজ্ঞাপূর্ণ পূর্ণ একটি বিচার !!!
One expects an elected MP to make a better judgment call.
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এর চেয়ে অনেক ভালো বিচারের প্রত্যাশা করে সবাই । ।
The real problem here is that anyone can accuse anyone of insulting religion to settle personal scores.
আসল সমস্যা হলো বর্তমানে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাবার জন্য যে কেউ যেকাউকে ধর্ম অবমাননার নামে অভিযুক্ত করতে পারে। .

It’s your word against mine.
এটি তোমার প্রতি আমার প্রতিশোধ- এই টাইপের ।

What evidence is there to prove that the teacher actually made disparaging remarks about religion, rather than the claims of some people?
কিছু লোকের মুখের কথা বাদে কী প্রমাণ আছে যে শিক্ষকটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো কথা বলেছে?
There should be safeguards against this kind of harassment exploiting the religious sentiment of the public.
ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে সাধারণ জনগণের উপর এই ধরণের নিপীড়ন বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা থাকা উচিত।

Teaching is a noble profession and teachers should be treated with due respect.
শিক্ষকতা একটি মহান পেশা । তাই শিক্ষকদের তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া উচিত।

We call for appropriate and exemplary action against all those who were party to this abhorrent mistreatment of a teacher.
একজন শিক্ষককে এই ঘৃণ্য দু:ব্যবহারে যারা যারা জড়িত ছিল আমরা তাদের উপযুক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *