Home / BCS Tips / about William Shakespeare

about William Shakespeare

ইংরেজি সাহিত্যের উইলিয়াম শেক্সপিয়র ও তার কর্ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

William Shakespeare uiliyamsekasapiyara ) ( Baptism of April 6 , 1564 , died on April 3 , 1616 ) was an English poet and playwright . He is the greatest writer in the English language and the world seems to be one of the leading playwright . [But] the English the “national poet ” and the ” Bard of Avon ” ( ayabhanera balladist ) is called .

 

উইলিয়াম শেকসপিয়র :

[১] ইংরেজি: William Shakespeare উইলিয়াম্‌শেকসপিয়র )(ব্যাপ্টিজম ২৬ এপ্রিল, ১৫৬৪; মৃত্যু ২৩ এপ্রিল, ১৬১৬)ছিলেন একজন ইংরেজ কবি ও নাট্যকার। তাঁকে ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক এবং বিশ্বের একজন অগ্রণী নাট্যকার মনে করা হয়।[২] তাঁকে ইংল্যান্ডের “জাতীয় কবি” এবং “বার্ড অফ অ্যাভন” (অ্যাভনের চারণকবি) নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।[৩] তাঁর যে রচনাগুলি পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ৩৮টি নাটক,১৫৪টি সনেট, দুটি দীর্ঘ আখ্যানকবিতা এবং আরও কয়েকটি কবিতা। কয়েকটি লেখা শেকসপিয়র অন্যান্য লেখকদের সঙ্গে যৌথভাবেও লিখেছিলেন। তাঁর নাটক প্রতিটি প্রধান জীবিত ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং অপর যে কোনো নাট্যকারের রচনার তুলনায় অধিকবার মঞ্চস্থ হয়েছে।[৪]

শেকসপিয়রের জন্ম ও বেড়ে ওঠা স্ট্যাটফোর্ড অন-অ্যাভনে। মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি অ্যানি হ্যাথাওয়েকে বিবাহ করেন। অ্যানির গর্ভে শেকসপিয়রের তিনটি সন্তান হয়েছিল। এঁরা হলেন সুসান এবং হ্যামনেট ও জুডিথ নামে দুই যমজ। ১৫৮৫ থেকে ১৫৯২ সালের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি অভিনেতা ও নাট্যকার হিসেবে লন্ডনে যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। লর্ড চেম্বারলেইন’স ম্যান নামে একটি নাট্যকোম্পানির তিনি ছিলেন সহ-সত্ত্বাধিকারী। এই কোম্পানিটিই পরবর্তীকালে কিং’স মেন নামে পরিচিত হয়। ১৬১৩ সালে তিনি নাট্যজগৎ থেকে সরে আসেন এবং স্ট্র্যাটফোর্ডে ফিরে যান। তিন বছর বাদে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। শেকসপিয়রের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে নথিভুক্ত তথ্য বিশেষ পাওয়া যায় না। তাঁর চেহারা, যৌনপ্রবৃত্তি, ধর্মবিশ্বাস, এমনকি তাঁর নামে প্রচলিত নাটকগুলি তাঁরই লেখা নাকি অন্যের রচনা তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে।[৫]

 

শেকসপিয়রের পরিচিত রচনাগুলির অধিকাংশই মঞ্চস্থ হয়েছিল ১৫৮৯ থেকে ১৬১৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে।[৬] তাঁর প্রথম দিকের রচনাগুলি ছিল মূলত মিলনান্তক ও ঐতিহাসিক নাটক। ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে তাঁর দক্ষতায় এই দুটি ধারা শিল্পসৌকর্য ও আভিজাত্যের মধ্যগগনে উঠেছিল। এরপর ১৬০৮ সাল পর্যন্ত তিনি প্রধানত কয়েকটি বিয়োগান্ত নাটক রচনা করেন। এই ধারায় রচিত তাঁর হ্যামলেট, কিং লিয়ার ও ম্যাকবেথ ইংরেজি ভাষার কয়েকটি শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি। জীবনের শেষ পর্বে তিনি ট্র্যাজিকমেডি রচনায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। এই রচনাগুলি রোম্যান্স নামেও পরিচিত। এই সময় অন্যান্য নাট্যকারদের সঙ্গে যৌথভাবেও কয়েকটি নাটকে কাজ করেন তিনি।

 

তাঁর জীবদ্দশায় প্রকাশিত নাটকগুলির প্রকাশনার মান ও প্রামাণ্যতা সর্বত্র সমান ছিল না। ১৬২৩ সালে তাঁর দুই প্রাক্তন নাট্যসহকর্মী দুটি নাটক বাদে শেকসপিয়রের সমগ্র নাট্যসাহিত্যের ফার্স্ট ফোলিও প্রকাশ করেন।

তাঁর সমকালে শেকসপিয়র ছিলেন একজন সম্মানিত কবি ও নাট্যকার। কিন্তু মৃত্যুর পর তাঁর খ্যাতি হ্রাস পেয়েছিল। অবশেষে ঊনবিংশ শতাব্দীতে খ্যাতির শীর্ষে ওঠেন। রোম্যান্টিকেরা তাঁর রচনার গুণগ্রাহী ছিলেন। ভিক্টোরিয়ানরা রীতিমতো তাঁকে পূজা করতেন; জর্জ বার্নার্ড শ’র ভাষায় যা ছিল চারণপূজা (“bardolatry”)।[৭] বিংশ শতাব্দীতেও গবেষণা ও নাট্য উপস্থাপনার বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁর রচনাকে পুনরাবিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়। আজও তাঁর নাটক অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুচর্চিত। সারা বিশ্বের নানা স্থানের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা আঙ্গিকে এই নাটকগুলি মঞ্চস্থ ও ব্যাখ্যাত হয়ে থাকে।

 

সাহিত্যকর্ম:

 

দ্য প্লেজ অফ উইলিয়াম শেকসপিয়র, স্যার জন গিলবার্ট, ১৮৪৯
১৬২৩ সালে ফার্স্ট ফোলিওতে প্রকাশিত শেকসপিয়রের ৩৬টি নাটককে উক্ত ফোলিওতে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এগুলি হল: মিলনান্তক (কমেডি), ঐতিহাসিক (হিস্ট্রি) ও বিয়োগান্তক (ট্রাজেডি)।[২৬] যে দুটি নাটক ফোলিওর অন্তর্ভুক্ত হয়নি, সেগুলি হল দ্য টু নোবল কিনসমেন ও পেরিক্লিস, প্রিন্স অফ টায়ার। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই দুই নাটকের অধিকাংশটাই শেকসপিয়রের রচনা। সেই হিসেবে এই দুটি নাটককেও শেকসপিয়রের নাট্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া হয়েছে।[২৭] শেকসপিয়রের কোনো কবিতাই ফোলিওর অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এডওয়ার্ড ডওডেন শেকসপিয়রের শেষ জীবনের চারটি কমেডিকে “রোম্যান্স” নামে চিহ্নিত করেন। যদিও কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ এই চারটি নাটককে “ট্রাজিকমেডি” নামে চিহ্নিত করার পক্ষপাতী।[২৮] এই নাটকগুলি এবং দ্য নোবল কিনসমেন নাটকটি নিচে তারকা (*) চিহ্নিত। ১৮৯৬ সালে ফ্রেডরিক এস. বোয়াস অল’স ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল, মেজার ফর মেজার, ট্রলিয়াস অ্যান্ড ক্রেসিডা ও হ্যামলেট নাটক চারটির জন্য “প্রবলেম প্লে” নামে একটি শব্দ ব্যবহার করেন।[২৯] তিনি লেখেন, “বিষয়বস্তুগত সমতা ও সমধর্মিতা-সম্পন্ন নাটকগুলিকে নিছক কমেডি বা ট্রাজেডি বলা যায় না। তাই আমাদের আজকের থিয়েটার থেকে যথোপযুক্ত শব্দ ব্যবহার করতে হবে এবং এই নাটকগুলিকে শেকসপিয়রের “প্রবলেম প্লে” শ্রেণির অন্তর্গত করতে হবে।”[৩০] এই শব্দবন্ধটি যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। কখনও কখনও অন্যান্য নাটকের ক্ষেত্রেই এই শব্দবন্ধটি ব্যবহৃত হত। তবে এর ব্যবহার বন্ধ হয়নি। যদিও হ্যামলেট নাটকটি নির্দিষ্টভাবেই ট্রাজেডি শ্রেণিভুক্ত হয়ে আছে।[৩১] অন্যান্য “প্রবলেম প্লে”-গুলি জোড়া ছোরা (‡) চিহ্নিত হল।

যেসব নাটকগুলি অংশত শেকসপিয়রের লেখা সেগুলিকে নিচে ছোরা চিহ্নিত (†) করা হল। অন্য যেসব লেখা কখনও সখনও তাঁর লেখা বলে উল্লিখিত হয়ে থাকে, সেগুলি “অপ্রামাণিক রচনা” অংশের অন্তর্ভুক্ত হল।

তালিকা[সম্পাদনা] মিলনান্তক নাটক বা কমেডি:


অল’স ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল‡
অ্যাজ ইউ লাইক ইট
দ্য কমেডি অফ এররস
লভ’স লেবার’স লস্ট
মেজার ফর মেজার‡
দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস
দ্য মেরি ওয়াইভস অফ উইন্ডসর
আ মিডসামার নাইটস ড্রিম
মাচ অ্যাডো অ্যাবাউট নাথিং
পেরিক্লিস, প্রিন্স অফ টায়ার*†
দ্য টেমিং অফ দ্য শ্রিউ
দ্য টেমপেস্ট*
টুয়েলফথ নাইট
দ্য টু জেন্টলমেন অফ ভেরোনা
দ্য টু নোবল কিনসমেন*†
দ্য উইন্টার’স টেল*
ঐতিহাসিক নাটক বা হিস্ট্রি:


কিং জন
রিচার্ড দ্য সেকেন্ড
হেনরি দ্য ফোর্থ, প্রথম ভাগ
হেনরি দ্য ফোর্থ, দ্বিতীয় ভাগ
হেনরি দ্য ফিফথ
হেনরি দ্য সিক্সথ, প্রথম ভাগ†
হেনরি দ্য সিক্সথ, দ্বিতীয় ভাগ
হেনরি দ্য সিক্সথ, তৃতীয় ভাগ
রিচার্ড দ্য থার্ড
হেনরি দি এইটথ†
শেকসপিয়রীয় বিয়োগান্তক নাটক বা ট্রাজেডি:


রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট
কোরিওলেনাস
টাইটাস অ্যান্ড্রোনিকাস†
টিমন অথ অ্যাথেন্স†
জুলিয়াস সিজার
ম্যাকবেথ†
হ্যামলেট
ট্রলিয়াস অ্যান্ড ক্রেসিডা‡
কিং লিয়ার
ওথেলো
অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা
সিম্বেলাইন*

 

সনেটঃ


শেকসপিয়রের সনেট
ভেনাস অ্যান্ড অ্যাডোনিস
দ্য রেপ অফ লুক্রেসি
দ্য প্যাশনেট পিলগ্রিম[nb ৫] দ্য ফিনিক্স অ্যান্ড দ্য টার্টল
আ লাভার’স কমপ্লেইন্ট
হারিয়ে যাওয়া নাটক:
লভ’স লেবার’স উইন
কার্ডেনিও†
অপ্রামাণিক রচনা:
মূল নিবন্ধ: শেকসপিয়রের অপ্রামাণিক রচনা
আর্ডেন অফ ফ্যাভারশ্যাম
দ্য বার্থ অফ মার্লিন
লোক্রাইন
দ্য লন্ডন প্রডিগাল
দ্য পিউরিটান
দ্য সেকেন্ড মেইডেন’স ট্রাজেডি
স্যার জন ওল্ডক্যাসল
টমাস লর্ড ক্রমওয়েল
আ ইয়র্কশায়ার ট্রাজেডি
এডওয়ার্ড দ্য থার্ড
স্যার টমাস মোর

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *