Home / BCS Tips / 37th BCS|ACTION FOR 30 DAYS

37th BCS|ACTION FOR 30 DAYS

37th BCS|ACTION FOR 30 DAYS

প্রিলির টার্গেট প্ল্যানঃ ACTION FOR 30 DAYS
(শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতির সেরা একশান প্ল্যান )
:
শুভেচ্ছান্তেঃ সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী
[ Satyajit Chakraborty ] ___________________
শুরু হতে যাচ্ছে ৩৭ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। হাতে মাত্র ৩০ দিন। শেষ মুহুর্তের এই ৩০ দিনই পাল্টে দিতে পারে সব হিসেব নিকেশ। অনেক ঝানু প্লেয়ার শেষ সময়ের শেষ কাজটি সঠিকভাবে করতে না পেরে পরের বিসিএস এর প্রার্থী হয়েছেন। আবার মোটামুটি প্রস্তুতি নিয়েও কেউ কেউ শেষ সময়ের সঠিক পরিকল্পনায় শেষ বিসিএস দিয়ে শেষ হাসিটা হেসেছেন। অনেক সফল বিসিএস ক্যাডারের সাথে কথা বলেছি, কথা বলেছি ব্যর্থতার পর সফল অফিসারের সাথেও। কেমন ছিল তাদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিটুকু এসব বিষয়ে কথা হচ্ছিল আমার চা চক্রে। এএসপি, ম্যাজিস্ট্রেট, ট্যাক্স কমিশনার, কলেজের শিক্ষক, বাংলাদেশ ব্যাংকের এডি সহ কয়েকজন সফল অফিসার তাদের সফলতা ব্যর্থতার কারণ বর্ননা করছিলেন আমার চা চক্রে। সেখান থেকে ওআমি সত্যজিৎ বেশ কিছু অভিজ্ঞতা নিলাম। লেখাটি বেশ বড়, ধৈর্য না থাকলে পড়বেন না বা আংশিক পড়বেন না। অর্ধেক লেখা পড়ার চেয়ে এই লেখাটা বাদ দিয়ে প্রিলির পড়া রিভাইস করাই বেটার।
:
যা যা থাকছে লেখায়ঃ
★ ৩০ দিনের প্ল্যানিং
★ পরীক্ষার আগের দিনের করনীয়
★ প্রশ্নপত্র ফাঁসের ফাঁদ
★ মডেল টেস্ট ও জব সলিউশন এর ব্যবহার
★ সাবধান! মিসগাইডেড হওয়ার বিড়ম্বনা।
★ নিষেধাজ্ঞা
:
এতদিন আপনি যা পড়েছেন অর্থাৎ বাংলা, বাংলাদেশ বিষয়াবলী, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বিজ্ঞান, কম্পিউটার, ভুগোল ও মানসিক দক্ষতা এই ৩০ দিনের ১ম ১৫ দিনের মধ্যে আপনাকে প্রতিটি টপিক শুধু একবার করে পড়ে শেষ করতে হবে যেভাবেই হোক। কথাটি শুনে ভয় পেয়ে যাবেন না। এই পড়াগুলো সে পড়াই যেগুলো আপনি এতদিন পড়েছেন। অতএব সময় একটু বেশি দিলে ১৫ দিনেই শেষ করতে পারবেন। যদি না পারেন বলে মনে হয় তবে নৈতিকতা ও সুশাসন বাদ দিতে পারেন। তাও যদি না পারেন, তবে ভুগোলটা ও বাদ দিতে পারেন। কারণ বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পড়া থাকলে ভুগোল এমনিতেই শেষ হয়ে যায়। এছাড়া এতদিন তো পড়েছেনই এবিষয়ে। গণিত ও ইংরেজির কথা বলা হয়নি। এই ১৫ দিনের প্রতিদিন যে সাবজেক্টগুলো বললাম সেগুলোর পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে গণিত ও রাতে ইংরেজি করবেন। তাহলে গণিত ও ইংরেজি প্রতিদিন টাচে থাকবে।
:
কিভাবে ১৫ দিনে সেট আপ করবেন সময়? বাংলা ৪দিন, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৪ দিন, আন্তর্জাতিক ৪দিন, বিজ্ঞান ২দিন ও কম্পিউটার ১দিন। মোট ১৫দিন। সাথে প্রতিদিন গণিত ও ইংরেজি তো আছেই। অথবা সাবজেক্টের সময়গুলো নিজের মত করে ভাগ করে নিলেও পারেন। প্রশ্ন হল কেন এমনটি বললাম? আপনি এতদিন প্রচুর পড়েছেন। কিন্তু সবগুলো সাবজেক্ট সত্যিকার অর্থে ভালোভাবে রিভিশন দেননি। যার ফলে অল্প অল্প জানা তথ্যটা ও আপনার মাথা থেকে ছুটে যেতে পারে। তাই শেষ সময়ের শেষ অপারেশন এটি। পরীক্ষায় সবচেয়ে বড় আফসোস – ইশ! প্রশ্নটি আমার কমন, শুধু একটু কনফিউজড ছিলাম! বিশ্বাস করেন পরীক্ষার এই ‘ইশ ‘কে ‘ইয়াহু’তে পরিনত করতে হলে এমন রিভিশনের বিকল্প নেই।
:
৩০ দিনের প্ল্যানের ১৫ দিন চলে গেল রিভিশন দিতে। বাকি থাকল আর ১৫ দিন। ১৬ তারিখ থেকে ২১ তারিখ এই ৬ দিনে আপনি অবশ্যই ১টা ডাইজেস্ট শেষ করবেন। যাদের সম্ভব হয় তারা ২টা প্রকাশনীর ডাইজেস্ট শেষ করতে পারেন। কেন এই ডাইজেস্ট? আপনি এতদিন অনেক তথ্য পড়েছেন। এখন ডাইজেস্ট হল আপনার অনেক অনেক পড়া তথ্যগুলো সংক্ষেপ করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিয়ে সাজানো। এক কথায়, ডাইজেস্টে সেসব পড়াই থাকে যা অত্যন্ত কম (আপনার টোটাল পড়ার সারমর্ম বলতে পারেন), এবং যা না পড়লেই নয় শুধু সেগুলোই।
:
২২ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ এই ৫ দিনে আপনি একটা জব সলিউশন অবশ্যই শেষ করবেন। যেহেতু আগে পড়া আছে সুতরাং এসময়েই শেষ করা যাবে। জব সলিশন হল বিগত বছরের বিসিএস সহ সকল চাকরি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন। যদি ৩৫ তম বিসিএস কে বাদ দিই, তবে সকল বিসিএস ও বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বিগত বছরের বেশ কিছু প্রশ্ন রিপিট হয়েছে। আপনি প্রশ্ন যেটি জানেন না সেটি হয়তো অনেকেই জানেনা, কিন্তু যেসব প্রশ্ন রিপিট হয় সেগুলো আপনার ভুল হলেও, সবার কিন্তু ভুল হবেনা। অতএব খুবই গুরুত্বের সাথে জব সলিউশন শেষ করা চাই। মাথায় রাখবেন, কমন প্রশ্ন যেন বুলেট মিস না করে।
:
২৭ ও ২৮ তারিখ শুধু সেগুলোই পড়বেন যেগুলো পড়লেই কমন পাওয়া যায়। যেমনঃ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগ, ১১জন কবি ও অল্প কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কবি, বাংলা ব্যাকরণ এর ধ্বনি, বর্ণ, সমাস। সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু, ইত্যাদি বিষয়গুলো। যেহেতু জব সলিউশন পড়বেন সুতরাং নিজেই বুঝতে পারবেন কোন টপিকগুলো পড়লেই কমন পাওয়া যায়। এই ২ দিন শুধু সেগুলোই পড়বেন। তবে নতুন কোনো বই ধরার প্রয়োজন নেই। এই বিষয়ে আমার বিভিন্ন ধারাবাহিকের অংশ হিসেবে “নিশ্চিত কমন পর্বঃ সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ” শিরোনামে প্রকাশিত লেখাগুলোর সাহায্য নিতে পারেন। তবে আপনার সেভ করা না থাকলে এই মুহুর্তে আর আমার ঐসব লেখায় গুরুত্ব না দিলেও চলবে।
:
২৯ তারিখ সারাদিন নিজের মনের মত মোবাইল বন্ধ রেখে সময় কাটাবেন। ভালো ভালো কথা পড়বেন। আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এমন কথা পড়বেন। এ কথাগুলো আগেও অনেক ক্যাডাররা বলেছেন। চাইলে একবার আমার টাইমলাইনে ঘুরে আসতে পারেন। আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর অনেক লেখা সেখানে আছে। (হা হা হা… বিষয়টা অত গুরুত্বপূর্ণ নয়, সিরিয়াস কথার মাঝে একটু মজা করলাম)। এর বাইরে ১ তারিখ থেকে ২৯ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন অবশ্যই ১সেট পরীক্ষা দিবেন মডেল টেস্ট এর বই থেকে। বাজারে মডেল টেস্ট এর বই পাওয়া যায়। এতে দেখা যাবে বাসায় বসে ২৯ দিনে ২৯ টা মডেল টেস্ট দেয়ার পর ৩০ তারিখ বিসিএস প্রিলি দিতে গেলে সেটাকে আর বিসিএস প্রিলি মনে হবে না, মনে হবে আপনার ৩০ তম মডেল টেস্ট।
:
বেশ কিছুদিন আগে একটা লেখা দিয়েছিলাম টোটাল প্রিলি প্রস্তুতি নিয়ে “সাহস থাকলে ফেল করুন (প্রিলির চ্যালেঞ্জ) : সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ” শিরোনামে। আমার ঐ লেখাটিতে প্রিলি পাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্যাডারদের প্রস্তুতির দিক নির্দেশনা ও সংযোজন করেছিলাম, যেগুলো আমার চা চক্রে তাদের বক্তব্য ও নিজের দেখা কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা উঠে এসেছিল। এটি তার পরবর্তী সংস্করন।
:
মনে রাখবেন – এখানে আপনাকে ফার্স্ট হতে হবে না, ফুল মার্কসের আনসার ও করতে হবেনা ; শুধু পাস করতে হবে। বিগত ইতিহাস বলে ১০০ মার্কসের পরীক্ষায় এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাশ মার্কস ছিল ৭০, আর ২০০ মার্কসের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ পাশ মার্কস ১২০ ক্রস করেনি। অযথা টেনশন করবেন না। আপনি যা পারেন না, তা হয়তো অন্য কেউ পারে। তবে এমন ও কিছু টপিক হয়তো আছে যা আপনি ভাল পারেন, কিন্তু অন্যরা অত ভালো পারেনা। মাথায় রাখবেন – পরীক্ষার্থীর সংখ্যাটি অনেক বড় কিন্তু সিরিয়াস প্রার্থীর সংখ্যা অনেক ছোট। সত্যি বলছি, সিরিয়াস প্রার্থী খুব বেশি নেই।
:
এত বেশি পড়ার চাপ দেখে যারা ভয় পাচ্ছেন, তাদের জন্য বলছি – চাইলেই খুব সহজ কাজের একটা প্রিপারেশনের কথা বলতে পারতাম। আর তা হল শুধু ডাইজেস্ট পড়া। এতে আপনার পরিশ্রম হয়তো কম হবে কিন্তু সফলতা আসবে না। শেষ সময়ে এসে তো আর অলসতা করা যায়না। যাঁরা সফল হয়েছেন তারা কেউ শর্টকাট রাস্তায় হাঁটেননি, তবে কৌশলী ছিলেন এবং পরিশ্রমী ও ছিলেন। এটা দীর্ঘ সময়ের একটা সম্মিলিত প্রস্তুতি। ফুটপাতে বিক্রি করা ৭দিনে কোরিয়ান ভাষা শিখার মত কোনো কাজ না। খুব অবাক লাগে যখন বিশেষ কোথাও দেখি “মাত্র ৭ দিনেই প্রিলি পাশ ” এমন চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন। এটা চুলকানির মলম না যে ৭ দিনেই কাজ হবে।এটি দেশের সর্বোচ্চ পদে যাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ পরীক্ষা। কেউ যদি শর্টকাট কোনো পথ দেখাতে পারে সেটা দেখেই হয়তো আপনার ভালো লাগতে পারে কম পড়তে হবে বলে। কিন্তু এত কম পড়ার কথা বলে যারা সহজ পথ দেখায় তাদের স্বপ্ন ভাঙ্গার জন্য রেজাল্টের অপেক্ষা করতে হবেনা, প্রশ্ন হাতে পাওয়া মাত্রই স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। দুঃখিত একটু কঠোর ভাষায় কথা বলার জন্য। এত কঠোরভাবে বলার মত কোনো যোগ্যতায় আমার নেই। শুধু আপনাদের ভালোবাসা আর আন্তরিকতা থেকেই আমি সত্যজিৎ আপনাদের আপন ভেবেই বললাম। দীর্ঘসময় প্রিলি,লিখিত, ভাইবা, মোটিভেশন এতসব বিষয়ের লেখালেখিতে আমার সাথে আপনাদের যে হৃদ্যতা গড়ে উঠেছে তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলো বললাম।
:
মিসগাইডেড হবেন নাঃ
এখনো কারো কারো সাজেশনে এমন কিছু টপিক দেখছি যা কৌশলবর্জিত ও সিলেবাসবহির্ভুত; এটা সত্যিই দুঃখজনক। কারণ এমন পরামর্শ যারা দিচ্ছেন তারা যথেষ্ট দায়িত্বশীল ও গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি। অন্তত আমার চেয়ে বেশি জ্ঞানী ও অভিজ্ঞ। কারো কারো সাজেশনে এখনো বাংলা ব্যাকরণ অংশে “কারক ” এর টপিক উল্লেখ থাকে, যা সিলেবাস বহির্ভুত। এছাড়া কারো কারো সাজেশনে দেখলাম ইংরেজি অংশে ভোকাবুলারিতে জোর দিতে বলছেন কারণ এখানে প্রায় ৫/৭ মার্কস থাকে। নিঃসন্দেহে পরামর্শটি ভালো তবে পরীক্ষার ৪মাস বা তার আগের সময়ের জন্য। কিন্তু এই শেষ মুহুর্তে এটি কৌশলবর্জিত পরামর্শ। কারণ এই মুহুর্তে আপনি ৫০০ টা ভোকাবুলারি শিখলে সেখান থেকে ১টা ও কমন না পেতে পারেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শেষ মুহুর্তের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে ৫০০টা অনিশ্চিত ভোকাবুলারি শিখার পেছনে যে সময় দিবেন, সে সময়টুকু যদি গণিত, বিজ্ঞান, সংবিধান, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে দেন তবে আপনি নিশ্চিতভাবে অনেকগুলো প্রশ্ন কমন পাবেন। মাথায় রাখবেন – এখনকার প্রতিটি সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব প্রতিটা সেকেন্ড এর আউটপুট আসতে হবে এবং কৌশলে সময় ব্যয় করতে হবে।
:
নিষেধাজ্ঞাঃ
আপনি নিজের মত প্রস্তুতি নিন, তবে ভুলেও আপনার বন্ধুর প্রস্তুতির খবর নিবেন না। কারণ অতীত ইতিহাস বলে,আপনি আপনার বন্ধুর পড়ার হিসেব শুনলে শুধু হতাশই হবেন, অনুপ্রাণিত হতে পারবেন না। যে যত বেশি জানবে জানুক, শেষ মুহুর্তে কে জানা বিষয়কে কতটুকু কাজে লাগাতে পারল সেটাঈ আপনার রেজাল্ট এর কারণ হবে। নেতিবাচক বন্ধু থেকে দূরে থাকুন। বিশ্বাস করেন, তারা আপনার কোনো লাভ তো করতে পারবেই না, উল্টো নেতিবাচক কথা দিয়ে আপনাকে দুর্বল করবে। যদি হতাশ মনে হয় তবে আপনার জন্য আমার টাইমলাইনে অনেক মোটিভেশন দেয়া আছে, যা কোনো আবেগীয় কথা নয়। আপনার মাঝে ও যে অসীম ক্ষমতা আছে তা আমি আমার বহুবার প্রমান করেছি। অন্তত আমার কাছে আসুন আমি হ্যান্ডশেক করে বলে দিব – আপনার মাঝে সফল হওয়ার কী কী গুণ আছে। ফেসবুকে আমার সাথে কথা বলে এই পর্যন্ত নেগেটিভ কথা শুনেছেন এমন একজন ও নেই। এতদিন আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই আমি কী-বোর্ডে তুফান তুলেছি।
:
#সাবধানঃ শেষ মুহুর্তে প্রশ্ন পত্র ফাসের কিছু গুজব উঠতে পারে। এমন গুজব অতীতেও ছিল। এসব কথায় বিন্দুমাত্র কান না দিয়ে এবং টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করার মত কু কাজটি না করলেই বুদ্ধিমানের কাজ করবেন। কারণ অতীত ইতিহাস বলে, পরীক্ষার আগের রাতে কথিত ফাস হওয়া প্রশ্নের সাথে পরেরদিনের বিসিএস প্রিলি প্রশ্নের আদৌ কোনো মিল ছিল না।
:
শেষকথাঃ প্রস্তুতি যায় থাকুক, বিসিএস প্রিলি দেয়ার আগ পর্যন্ত এটা ভাববেন না যে আপনি যোগ্য না। পিএসসি রেজাল্ট দেয়ার আগে নিজেই নিজের নেগেটিভ রেজাল্ট দিয়ে দিলে আপনার প্রস্তুতি যা ছিল তাও যাবে। এখানে যা বললাম তার সবটাই আপনাদের জানা কথা। শুধু আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতেই একসাথে করলাম লেখাগুলো। সিলেবাসের প্রায় প্রতিটি টপিকের উপর বইয়ের প্রথাগত নিয়মের বাইরে গিয়ে খুব সহজ ভাষায় কৌশল সম্বলিত অনেক নোট দিয়েছি এতদিন। এখন নিজের মত করেই প্রস্তুতি নিন।
:
শুভ কামনা সবার জন্য!
______________
#Written_By:
Satyajit Chakraborty
Ex-president,
Social Law Awareness Association

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *