Home / Campus News / BCS examinations application made ​​by selling the blood of DU students

BCS examinations application made ​​by selling the blood of DU students

রক্ত বিক্রির টাকা  দিয়ে ৩৭ তম বিসিএসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী।  মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ওই শিক্ষার্থী আবেদন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয়  গ্রন্থাগারে পড়তে আসা তার সহপাঠীর কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিডিলাইভ-একুশ ডট কমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি তার সাথে সাক্ষাৎ করে।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ শিক্ষার্থী বলেন, দয়া করে আমার নামটা প্রকাশ করবেন না। পরিবার ও সবার কাছে ছোট হয়ে যাব। তবে প্রতিবেদনটি করতে কোন আপত্তি জানান নি। কারণটাও স্পষ্ট।   ক্রমেই অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হতে থাকা একটা দেশের বেকারদের কাছ থেকে একটা পরীক্ষায় আবেদন করতে কেন ৭০০ টাকা নিতে হবে? তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, ‘দেশ নাকি অনেক এগিয়ে গেছে এখন দেখি বেকারদের  মত অসহায় আর নিরুপায় মানুষদের টাকা ছাড়া দেশ চলতে পারে না। অথচ এই সেই দেশ যেখানে আমাদের অর্থমন্ত্রী বলেন ৪ হাজার টাকা কোন টাকা নয়!’

কথা প্রসঙ্গে তিনি বেসিক ব্যাংক , হল মার্ক, সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক সহ নানা জায়গায় দুর্নীতির কারণে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লোকসানের বিষয়টি তুলে ধরেন। এইসব জায়গাগুলোতে যদি রাষ্ট্র তার দায়িত্ব ঠিকঠাক মত পালন করত তাহলেও তো আজ দেশের বোকারদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সরকার কিংবা পিএসসিকে চলতে হতো না।

 

 

 

আমাদের একজন বিশিষ্ট মন্ত্রী আছেন যিনি কথায় কথায় উন্নত দেশগুলোর কথা বলে থাকেন। তাকে উদ্দেশ্য করে বলতে চাই কোন উন্নত দেশ বেকারদের টাকায় চলে বলবেন কি? বেকারদের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেয়া মানতে পারছেন না  রক্ত বিক্রি করে বিসিএস পরীক্ষায় অবেদন করা ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীরাও। তাদের সকলের মনেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চাকরিপ্রার্থী বললেন, ‘দেশের সর্বচ্চ বিদ্যাপীঠে লেখাপড়া শেষ করে মন চাইলেই যেকোন কাজ করা যায় না। নিজের আত্মমর্যাদার প্রশ্নেও আপোস করতে পারি না। পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশাও কম নয়। সেখানে যদি বিভিন্ন পরীক্ষায় দূর্নীতি আর অনিয়ম হয় ভালো একটা চাকরি পাওয়া সত্যি কঠিন হয়ে পরে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স শেষ করে এখন পর্যন্ত ১৭ টি ভাইভায় মুখোমুখি হয়েছেন মুস্তফা। কিন্ত ‍ু ভাগ্যের শিকে ছিড়ে নি। এদিকে প্রতিমাসেই দেখা যায় চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করেতই ২০০০-৩০০০ টাকা চলে যায়। আশার খবর বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আতিউর রহমান তার সময়ের শেষদিকে এসে ব্যাংক পরীক্ষাগুলোতে চাকরিপ্ররাথীদের কাছ থেকে পরিক্ষা ফি নেয়া বন্ধ করেন। অসহায় চাকরিপ্রার্থীরা এজন্য ড.আতিউর রহমানকে ধন্যবাদের পাশাপাশি কৃতজ্ঞতাও জানান। সাথে সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানান যে বানিজ্যিক ব্যাংক গুলো যদি পারে তাহলে সরকারি চাকুরিতে কেন সম্ভব নয়। অামাদের দাবি একটাই কোন ধরনের চাকরি পরীক্ষায় চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেয় যাবে না। এটা সরকারের জন্যও বড় অসম্মানের বিষয়।

 

 

ঢাবি গ্রন্থগারে পড়তে আসা শিক্ষার্থীরা সারা দেশের বেকার সমাজকে এক ও ঐক্যবদ্ধ হয়ার জন্য আহবান জানান। প্রয়োজনে আমরা অনশনে যাব তবু বেকারদের টাকা নিয়ে দেশকে চলতে হবে এমন ফালতু ও ভন্ড প্রথা বন্ধ করতে হবে। চাকরি হয়ে গেলে সবার কাছ থেকে এর দশগুন টাকা তুলে নিক না কেন তাতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু তার আগে কোন বেকারের কাছ থেকেই যেন আর পরিক্ষা ফির নামে টাকা নেয়া না হয়। সরকার তো আর দেউলিয়া হয়ে যায় নি। আর যদি দেউলিয়াই হয়ে যায় সেক্ষেত্রে আমরা একবেলা না খেয়ে হলেও সরকারকে টাকা দিতে প্রস্তত  আছি।

চাকরিপ্রার্থীদের কথায় স্পষ্ট সরকারকে বোকা বানিয়ে টাকা আদায় করে নিচ্ছে পিএসসি। সরকারের একটু দৃষ্টিই পারে বেকারদের মুখে হাসি ফুটাতে। এতে পিএসসির কিছু বাড়তি ইনকাম বন্ধ হলেও সরকার পেতে পারে আকাশছোয়া জনপ্রিয়তা।

 

bdlive21

 

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *