Home / News / বিএনপিকে দেওয়া ডিএমপির ২৭ শর্তে যা আছে

বিএনপিকে দেওয়া ডিএমপির ২৭ শর্তে যা আছে

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপিকে আলোচনা সভার অনুমতি দিয়ে ২৭টি শর্ত দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপি থেকে চিঠির মাধ্যমে এ অনুমতি ও শর্তের কথা জানানো হয়। তবে বিএনপির পক্ষ বলা হয়েছে, তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়া অন্য কোথাও সমাবেশ করবে না।

বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবসে উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে ৬ নভেম্বর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে আবেদন করে। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনার সভার অনুমোদন দেয়। ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস, অপারেশন) মো. ইউসুফ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যা আছে ২৭ শর্তে

(১) এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারে অনুমতি নয়।

(২) স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

(৩) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলানায়তনের অভ্যন্তরে আলোচনা সভার যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

(৪) আলোচনা সভার নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ)নিয়োগ করতে হবে।

(৫) স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নিদের্শনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভার অভ্যন্তরে ও বাইরে উন্নত রেজ্যুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

(৬) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশগেটে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং আলোচনায় সভায় আগতদের হ্যাচ মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে (ভদ্রোচিতভাবে) চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

(৭) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় Vehicle Scanner/Scarch Mirror-এর মাধ্যমে আলোচনা সভাস্থলে আগত সব যানবাহনকে তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।

(৮) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আলোচনায় সভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা করতে হবে।

(৯) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক/সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।

(১০) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেকশন ব্যবহার করা যাবে না।

(১১) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমবেত হওয়া যাবে না।

(১২) আযান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

(১৩) ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান বা প্রচার করা যাবে না।

(১৪) অনুমতি স্থান ব্যতিত অন্য কোনো স্থানে আলোচনা সভা করা যাবে না।

(১৫) আলোচনা সভা ব্যতিত মঞ্চকে অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

(১৬) আলোচনা সভার শুরুর ০২(দুই) ঘণ্টা পূর্বে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।

(১৭) ১৬:৩০ ঘটিকার মধ্যে আলোচনা সভার সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

(১৮) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের আশপাশসহ রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়াসহ যান ও লোক চলাচলে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।

(১৯) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।

(২০) রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য প্রদান করা যাবে না।

(২১) উসকানিমূলক কোনো বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।

(২২) কোনো ধরনের লাঠি-সোটা /ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহার করা যাবে না।

(২৩) মিছিল সহকারে আলোচনা সভায় আসা যাবে না।

(২৪) রাস্তায় কোনো গাড়ি পার্কিং করা যাবে না।

(২৫) আইনশৃঙ্খলা ও কোনো বিরূপ পরিস্থির সৃষ্টি হলে আয়োজনকারী কর্তপক্ষ দায়ী থাকবেন।

(২৬) উল্লিখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

(২৭) জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

[X]
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *