Home / News / দিনাজপুরে

দিনাজপুরে

দিনাজপুর টেক্সটাইল ইনিস্টিটিউটের এক ছাত্রীর শরীরের পুরো কাপড় খুলে উলঙ্গ করে প্রকাশ্যে দাড় করিয়ে ভিডিও ধারণ করেছে ছাত্রলীগের দুই নেতা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে আটক করলেও মূল অভিযুক্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দিলেও টেক্সটাইল ইনিস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।
অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন,
টেক্সটাইল ইন্সটিটিউটের ৫ম পর্বের ছাত্র সুলতান মাহমুদ শিহাব ও ইমরান হোসাইন। শিহাব গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার জরিপপুর গ্রামের জুলফিকার মৃধা ও ইমরান জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার আকন্দপাড়া গ্রামের জাকিরুল হোসাইনের ছেলে। তারা ছাত্রলীগের কমিটির সদস্য।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও ওই ছাত্রীর দেয়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে ওই প্রতিষ্ঠানের ২য় পর্বের শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে ৫ম পর্বে পড়ুয়া শিক্ষার্থী সুলতান মাহমুদ শিহাব ও ইমরান হোসাইন। এ সময় তারা ওই ছাত্রী ছাড়া শ্রেণীকক্ষের সব শিক্ষার্থীকে বের হয়ে যেতে বলে। পরে ইমরান নিজেও শ্রেণীকক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। তখন শিহাব ওই ছাত্রীকে বাজেভাবে গালিগালাজ করে শরীর থেকে জামা খুলে নেয়। শুধু তাই নয়, ছাত্রীর আব্রু রক্ষায় জামার ভেতরের সবকাপড় ও পরণের পেন্ট খুলে নিয়ে প্রকাশে দাড় করিয়ে রাখে। এ সময় ইমরান হোসাইন এসে মোবাইলে ওই ছাত্রীর ভিডিও ধারণ করে। নিজের গোপনাঙ ঢাকর চেস্টা করলে ওই সময় তারা ছাত্রীকে মারধরও করে।
অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়,
শিহাব ওই ছাত্রীকে আগে কুপ্রস্তাব দেয়। তাতে রাজী না হওয়ায় রাস্তায় ও ফোনে নানাভাবে হুমকি দিত। আর এই ঘটনায় ওই শ্রেণীর মোট ২২ জন শিক্ষার্থী অভিযোগে স্বাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর সংযুক্ত করেছেন।
ঘটনার পরে ওই ছাত্রী ও তার সহপাঠীরা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম ফজলুল করিমের নিকট একটি অভিযোগটি দেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান হোসাইনকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু মূল অভিযুক্ত শিহাব পালিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীরা জানান,
শিহাব ক্লাসে না আসলেও বীরদর্পে এলাকায় চলাফেরা করছে। বিষয়টি জানানোর অধ্যক্ষ বিষয়টিকে সামান্য বলে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *